সিরিজ জিততে ২২৮ রান চাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
৪ ছক্কা ও ২ চারে ৯২ বলে ৬২ রানে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ। ৪৫তম ওভারের প্রথম বলে সিলসকে পয়েন্ট দিয়ের তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন।
মাহমুদউল্লাহ যখন নামেন বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ৬৪। আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের স্কোর ৯ উইকেটে ২০৯। বাংলাদেশের স্কোরকে ভদ্রস্থ করায় তাঁর অবদান অনেক।
ওয়ানডেতে ৮ম উইকেটে এতদিন বাংলাদেশের রেকর্ড রানের জুটি ছিল মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মোহাম্মদ মিঠুনের। ২০১৯ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৪ রানের জুটি গড়েছিলেন তাঁরা।
আজ ৮ম উইকেটে সেই জুটির রানকে পেছনে ফেলেছেন মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম। ১০৬ বলে ৯২ রানে ভাঙল তাঁদের জুটি। ৪৩.১ ওভারে বোলার রোস্টন চেজকে ফিরতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিম। ৬২ বলে ৪৫ রানের দারুণ এক ইনিংসই খেললেন এই পেসার। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটা তাঁর সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
টানা চার সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত বাংলাদেশ এবার পথ হারিয়েছে। প্রথম ওয়ানডেতে হারের পর সিরিজ বাঁচানোর বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে। কিন্তু শুরুটাই যে ভালো হয়নি সফরকারীদের। স্কোরবোর্ডে উঠেছে যথেষ্ট রান, কিন্তু উইকেট পড়ছে হুড়মুড়িয়ে– সেই পরিস্থিতিতেও আফিফ হোসেন আগ-পিছ না ভেবেই বিলাসী শটে ক্যাচ দিয়েছেন। এ ছাড়া গত ম্যাচে দারুণ ব্যাট করা জাকের আলি পড়েছেন এলবিডব্লুর ফাঁদে।
৬৪ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশের বিপর্যয়ে কিছুটা হলেও আশা দেখাচ্ছিল আফিফ-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জুটি। কিন্তু দলীয় সেঞ্চুরি হতেই আফিফ কাণ্ডজ্ঞানহীন শট খেলে আউট হয়েছেন। উইন্ডিজ স্পিনার গুদাকেশ মোতির বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে লং অফ বরাবর ক্যাচ দিয়েছেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার। এমনটা না হলে ২৯ বলে তার ২৪ রান আরও কার্যকরী ইনিংসে পরিণত হতে পারত!
প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বড় পুঁজিতে শেষদিকে বড় অবদান রেখেছিল মাহমুদউল্লাহ-জাকের আলির জুটি। কিন্তু তরুণ জাকের আজ ফিরলেন মোতির অফ-স্টাম্পে করা এক সাধারণ ডেলিভারিতে। যদিও বলটি স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা ওপরে উঠে যায়। লেগ বিফোরের আবেদনে সাড়া দিয়ে আউট দিয়েছেন আম্পায়ার, যাতে রিভিউ নিয়েও রক্ষা হয়নি জাকেরের। ৯ বলে মাত্র ৩ রান করে দলের বিপর্যয়ের ষোলকলা পূর্ণ করে ফিরলেন।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।