আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেশের মাটিতে এটাই তার শেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) প্রীতি ম্যাচ আয়োজন না করলে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে ‘নিজের’ মানুষের সামনে আর কখনও আলবিসেলেস্তের জার্সি গায়ে চাপানো হবে না। তাই বলাই যায়— ইতিহাসের সাক্ষী হলো আর্জেন্টিনা, সাক্ষী হলো বুয়েনস এইরেসবাসী!
বাংলাদেশ সময় আজ শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টায় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে খেলতে নামে আর্জেন্টিনা। এটাকে নিজেই ‘বিশেষ’ ম্যাচ বলেছেন মেসি। গ্যালারিতে তাই ছিলেন মেসির স্ত্রী, সন্তানসহ পুরো পরিবার। দর্শক ও সতীর্থদের ভালোবাসায় তৈরি হয় ভিন্ন এক পরিবেশ।
দেশের মাঠে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচটা জোড়া গোল করে রাঙিয়েছেন মেসি! রাঙালেন, না কাঁদালেন, কে জানে? জোড়া গোলের মতো উজ্জ্বল থাকলো ম্যাচ স্ট্যাট, রেটিং। এলএমটেনের পুরো ক্যারিয়ারের চিত্রই যেন আঁকা হলো আজ। মেসির শেষটা তো মেসির মতোই হতে হবে
মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বিদায়ী রাতটা গোল ছাড়া যে অসম্পূর্ণ থেকে যেতো, সেটা যেন নিজেই বুঝেছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে হুলিয়ান আলভারেজের নিখুঁত পাস থেকে মেসি উপহার দিলেন এক ‘ট্রেডমার্ক’ চিপ শট, যা মুহূর্তেই উল্লাসে মাতায় গ্যালারির ৮০ হাজার দর্শককে।
দ্বিতীয়ার্ধেও জ্বলে ওঠেন মেসি। তার দ্রুত ফ্রি-কিক থেকে শুরু হওয়া আক্রমণে ৭৬ মিনিটে লাওতারো মার্টিনেজ করেন গোল, ব্যবধান দ্বিগুণ করে আলবিসেলেস্তেরা।
৪ মিনিট পর থিয়াগো আলমাদার সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় মেসি সহজ ট্যাপ-ইনে পূর্ণ করেন জোড়া গোল। মনে হচ্ছিল, ভক্তদের ভালোবাসার জবাব দিলেন ফুটবল মহাতারকা। এই দিন সমর্থকেরা গান ধরেছিলেন— ‘লিও মেসি আছে পাশে, পুরো পথ আমরা পাড়ি দেব একসঙ্গে।’
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।