সকল মেনু

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ড সীমিত করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড সীমিত করতে যাচ্ছে। বিশেষ করে গাজা ও দখলকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলের সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মার্কিন পক্ষ স্পষ্ট করে দিয়েছে, যে তারা ইসরায়েলকে কোনো ধরনের সহিংসতা, এমনকি বিমান হামলাও ওয়াশিংটনের অনুমতি ছাড়া করতে দেবে না।

ইসরায়েলি রাজনৈতিক বিশ্লেষক আকিভা এলডার মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘আমরা জানি আফগানিস্তান ও ইরাকে কী ঘটেছিল। যদি স্থানীয়দের নিয়ন্ত্রণের সুযোগ না দেন এবং কোনো অঞ্চলের ভবিষ্যতকে বিদেশি শক্তির ওপর গড়ে তুলেন, তাহলে তা স্থায়ী হবে না।’

এলডার আরও উল্লেখ করেছেন যে, গাজার ভবিষ্যত শাসন অবশ্যই ২০০২ সালের সৌদি আরবের শান্তি উদ্যোগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া উচিত, যা আরব লীগের ২২টি সদস্য দেশ সমর্থন করেছিল। ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থীরা এবং সম্ভবত নেতানিয়াহু আশা করেছিলেন যে ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় সামরিক সরকার গঠন করতে দেবে এবং কিছু বসতি নির্মাণের অনুমতিও দেবে। তবে মার্কিন প্রশাসন এটি অনুমোদন করবে না।

তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে এবং আরও সীমাবদ্ধতা আরোপ করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও নিশ্চিত করেছেন যে গাজার ওপর আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং ইসরায়েলকে কোনো ধরনের সহিংসতা চালানোর আগে ওয়াশিংটনের অনুমতি নিতে হবে।

গাজার ভবিষ্যত শাসনের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মার্কিন সীমাবদ্ধতা ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্বশীলতা জোরদার করবে।

সূত্র: আল জাজিরা। 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top