চট্টগ্রামের ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড–২০২৬। বাংলাদেশ গ্রীনলিফ কালচারাল ফোরাম ও মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানটি ছিল মানবিকতা, সমাজসেবী ও গুণীজনের অবদানের স্বীকৃতিতে ভরপুর একটি সম্মাননা
অনুষ্ঠান।।সঞ্চালনা করেন গ্রীনলিফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও সংগঠক তসলিম হাসান হৃদয় এবং জেরিন সুবা। প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী রেনু রোজিনা। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশ চট্টগ্রামের আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমাদের আলোকিত সমাজ’-এর চেয়ারম্যান এ আর এম কামরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী,পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান কামরুল কায়েস চৌধুরী,মানবিক পুলিশ হিসেবে পরিচিত মো. শওকত হোসেন পিপিএম(বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা)মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব ও সংগঠক আরিফ আমান ভুইয়া,লায়ন মতিউর রহমান সৌরভ, মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশনের পরিচালক(ওসমান গনি মনসুর,দ্যা পিপলস ভিউ’-এর সম্পাদক) সাখাওয়াত হোসেন শুভ(চেয়ারম্যান মেরিজ সলিউশন বিডি) শাহেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশনের পরিচালক ফরিদা আক্তার। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহু গুণীজন ও মানবিক ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। মানবিক ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ৩৫টি ক্যাটাগরিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ‘রত্নগর্ভা মা’ হিসাবে সম্মাননা পান কামরুল কায়েস চৌধুরীর মমতাময়ী মা।সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী রেনু রোজিনা, সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী, মানবিক পুলিশ শওকত হোসেন পিপিএম, জিনাত আরা বেগম, সাংবাদিক ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য জাহিদুল করিম কচি, সর্বোচ্চ রক্তদানের জন্য জাবেদ নাসিম এবং সেরা মানবিক সংগঠন হিসেবে ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন। সম্মাননা ও সার্টিফিকেট প্রদানের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার আলমগীর হোসেন আলোর তত্ত্বাবধানে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে রেনু রোজিনা বলেন, যে দেশে গুণীর কদর নেই, সেই দেশে গুণীর জন্ম হয় না কথাটি যথার্থই।এই অনুষ্ঠানে এসে আমি সত্যিই আনন্দিত। গ্রীনলিফ ও মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, তারা গুণীজনকে সম্মানিত করার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে আমি আশা করি।
গ্রীনলিফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও বিজিসিএফ পরিচালক তসলিম হাসান হৃদয় বলেন, আমরা সবসময় সমাজের ভালো কাজগুলোকে মূল্যায়ন করতে চাই। গুণীজন ও মানবিক মানুষের সম্মাননার এই আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
সব মিলিয়ে, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে আয়োজিত মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড–২০২৬ ছিল এক অনন্য ও অর্থবহ আয়োজন।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।