বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কাল। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে এবারের নির্বাচনে। সাথে যুক্ত হয়েছে বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ড্রোনের নজরদারি।
ভোট একদিকে উৎসবের নাম। আরেক দিকে সংঘাত, সহিংসতা আর কেন্দ্র দখলের মঞ্চায়ন। ফলে ১২টি নির্বাচনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত উৎসব বহাল ছিলো ৪টি নির্বাচনে। বাকি ৮টিতে ভোটের মর্যাদা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আগের তুলনায় ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। তাই ভোট ও ভোটারের নিরাপত্তায় এবার বাড়তি আয়োজন রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্রের কারচুপি এড়াতে সার্বক্ষনিক নজরদারীতে থাকবে বডিওর্ন ক্যামেরা যুক্ত ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য। মাথার উপর নজরদারী করবে ৫শোর বেশি ড্রোন।
এবার সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিলিয়ে মাঠে থাকবে প্রায় ৯ লাখ সদস্য। যেখানে মূল দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ ও আনসারের সাত লাখের বেশি সদস্য।
সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ১ লাখ সেনা সদস্য। নৌ এবং বিমান বাহিনীও থাকবে বিশেষ নজরদারিতে। এছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে বিজিবি ও কোষ্টগার্ড সদস্যরা।
নির্বাচন কমিশন বলছে, কেবল বাহিনী মোতায়েন নয়; বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সবকিছু একটা ভঙ্গুর অবস্থা থেকে এতোবড় একটি নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছি। এবারের নির্বাচনের পরিবেশ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। তবে, নির্বাচন কমিশন অধিকতর প্রচেষ্টা নিচ্ছে যাতে আরও ভালো একটি নির্বাচন আয়োজন করা যায়।
পরিস্থিতির অবনতি হলে নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারে তৎপর থাকবে ফায়ার সার্ভিস। দিনশেষে সম্মিলিত চেষ্টায় গ্রহণযোগ্য ভোটের আয়োজন করতে চায় নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।