ক্যান্সার ভ্যাকসিনটি কাস্টমাইজড ইমিউনোথেরাপি হিসেবে কাজ করে, যেখানে প্রতিটি ডোজ রোগীর টিউমারের জিনগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তৈরি করা হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ের এই ট্রায়ালে ৪৮ জন স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন। টিউমার সঙ্কুচিত হওয়ার পাশাপাশি কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
এই গবেষণাটি রাশিয়ার ন্যাশনাল মেডিক্যাল রিসার্চ রেডিওলজিক্যাল সেন্টার এবং এঙ্গেলহার্ড ইনস্টিটিউট অব মলিকুলার বায়োলজি যৌথভাবে পরিচালনা করেছে।
এন্টারোমিক্সের প্রথম লক্ষ্য ছিল ‘কলোরেকটাল ক্যান্সার’, যা বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান ধরন। এই ভ্যাকসিনের সফলতা ক্যান্সার চিকিৎসায় একটি নতুন যুগের সূচনা হতে পারে, যদি পরবর্তী বৃহত্তর ট্রায়ালগুলোতে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা প্রমাণিত হয়।
বিশ্বব্যাপী ক্যান্সার চিকিৎসায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষকরে, ভারতের মতো দেশে, যেখানে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা অনেক এবং চিকিৎসায় বৈষম্য রয়েছে, সেখানে এ ধরনের উন্নতি চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাতে পারে।

মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।