ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০০৩ সালে ইরাক আগ্রাসনের পর এ অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক সমাবেশ বলে বিশ্লেষকদের মত। ভূমধ্যসাগরে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি আকাশ নজরদারির জন্য একাধিক ই-৩ সেন্ট্রি সতর্কীকরণ বিমান পাঠানো হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কি সরাসরি যুদ্ধের পথে হাঁটছে, নাকি শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছাবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০-২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি চাপে পড়বে।
অন্যদিকে ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানকে ১০-১৫ দিনের মধ্যে ‘অর্থবহ চুক্তি’ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, চুক্তি না হলে খারাপ কিছু ঘটতে পারে। এমন বক্তব্য প্রশাসনকে এক ধরনের চাপের মধ্যেও ফেলেছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: আব্দুল করিম
সম্পাদকীয় কার্যালয়: এস করিম ভবন, তৃতীয় তলা ৪৩, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট ঢাকা- ১২০৫
ফোন: 02 9356582, মোবাইল: 01715635623, ইমেইল: somoykontho@gmail.com